সোনাক্ষী সিনহা না বলতেই অনেক কিছু শিখেছেন

ভারতীয় বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা বর্তমান চলচ্চিত্রজগতে এক দশক ধরে পার করেছেন। চলচিত্রে সময়ের সঙ্গে সোনাক্ষী সিনহা না বলতেই অনেক কিছু শিখেছেন। সে কারণেই দাহাড়ের মতো প্রকল্প লুফে নিয়েছেন এই বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা। বর্তমান অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পায় রীমা কাগতি ও জোয়া আখতারের ক্রাইম থ্রিলার মুভি ‘দাহাড়’। আর এই ওয়েব সিরিজে সত্যিই সোনাক্ষী সিনহার কর্মক্ষমতার সাড়া ফেলেছে।

সোনাক্ষী সিনহা না বলতেই অনেক কিছু শিখেছেন

বর্তমানে সোনাক্ষীকে অন্যরকম চরিত্রেই বেশি দেখা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সোনাক্ষী সিনহা বলেন, ‘সম্প্রতি সময়ে আমার মনের মতো চিত্রনাট্য খুজে পাচ্ছিলাম না। সেজন্য বলতে বাধ্য হচ্ছি যে আসলে ছবি নির্বাচনের জন্য আমার দৃষ্টিভঙ্গি এখন পরিবর্তন হয়েছে। সিনেমার চরিত্রে শক্তিশালী নারী হিসেবে আমাকে এখন খুব বেশি উৎসাহিত করে। সিনেমায় চ্যালেঞ্জিং চরিত্র ছাড়া আমি কোন রকম মজা পাই না। তাই ‘দাহাড়’ এর প্রস্তাব পাওয়া মাত্র দ্বিতীয়বার ভাবতে যাইনি।’

সোনাক্ষী সিনহা ‘আকিরা’, ‘ফোর্স টু’ সিনেমার পর আবারো ‘দাহাড়’ এ লড়াকু চরিত্রে। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি সবচেয়ে অ্যাকশনধর্মী সিনেমা ভালোবাসি। অ্যাকশনধর্মী সিনেমার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ নেওয়ার প্রয়োজন হয়। এই ধরনের ছবিতে নতুন কিছু করার বিশেষ সুযোগও থাকে। এই চরিত্রের জন্য বাইক চালানো শিখতে হয়েছে আমাকে। জুডোর নতুন এক ধরণের কলা কৌশল শিখে ফেলেছি।

সোনাক্ষী তাঁর ১৩ বছরের ফিল্মি প্রসঙ্গে বলেন, ‘সব মিলিয়ে একটি সুন্দর ভ্রমণ বটেই। ভালো মন্দ নিয়েই এই ভ্রমণ থেকে কিছু না হোক কিছু শিখেছি। নিজের কঠোর পরিশ্রমের জন্যই আজ এই জায়গায় পৌঁছেছি।

তবে ‘দাহাড়’ এ ‘অঞ্জলি ভাটি’র দাপুট নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্র নিয়ে অভিনয় করেছেন, তিনি বাস্তবে কি রকম, সোনাক্ষীর কাছে জানতে চাইলে হেসে উঠলেন তিনি। ‘আমার মূল কাজ হচ্ছে মাথা ঠান্ডা রাখা। আমি একজন শান্ত প্রকৃতির মেয়ে। যেকোন বিষয়ে খুব বেশি চাপ নিই না। এতে করে কাজের অনেকটাই ক্ষতি হয়। এছাড়াও আমি সব সময় নিজের সেরা পারফরম্যান্স দেওয়ার চেষ্টা করি। যে সব ছবিতেই কাজ করি না কেন? সব ছবিকে আমি আমার প্রথম ছবি হিসেবেই দেখি। এভাবেই অভিনয় জগতে আরো শিখতে চাই। আরও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে চাই।

সোনাক্ষী সিনহা না বলতেই অনেক কিছু শিখেছেন

বিভিন্ন নির্মাতারা ও অভিনেতারা বর্তমান সময়ে ওটিটির দিকে বেশি ঝুঁকে পড়েছেন। এ প্রসঙ্গেও সোনাক্ষী বলেন, ‘এ জগতটা অন্য একধরণের জগৎ। তাই এখানে শুধুমাত্র অভিনেতাই নয়, প্রযোজকেরাও আত্মবিশ্বাসপূর্ণ। সে কারণেই বক্স অফিস এর আয়ের জন্য কোনো প্রকার চাপ থাকে না। কোভিড ১৯ এর সময়ে ওটিটি আরও ফুলেফেঁপে উঠেছে। সেই সময়ে এখানে ব্যতিক্রমধর্মী সব কনটেন্ট লক্ষ্য করা যায়। সে জন্য সবার কাছে নতুন দরজা খুলে গেছে। বর্তমানে সবাই কম বেশি কাজ পাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে বড় পর্দায় একধরণের আকর্ষণ আছে।

তবে সোনাক্ষী তার বাস্তব জীবনে কার থেকে বেশি শক্তি পান সে বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ আমি সব শক্তি পাই আমার মা-বাবার কাছ থেকে। আমার বাবা আমাকে আত্মবিশ্বাস আর উৎসাহ যোগাতে সাহস দেন। আর সব সময় আমার মা আমার পাশে থাকেন। আমার সব সময় মনে হয়, প্রত্যেক মেয়েদের জন্যই এটা খুব বেশি জরুরি।

সূত্র:- Right News BD

bn_BDBengali